More

    আজ হিলি রেল ট্র্যাজেডি দিবস

    অবশ্যই পরুন

    পটুয়াখালীতে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে পটুয়াখালী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। বাতাসের চাপ আগের চেয়ে কিছুটা...

    স্বাস্থ্যবিধি না মানায় কলাপাড়ায় ৩৪ জনকে অর্থদন্ড

    পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লকডাউন অমান্য করায় এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৩৪ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার বেলা সাড়ে ১১...

    বরিশালে অতিভারি বৃষ্টির আভাস: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের (খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর) স্থলভাগে...

    ব্রিজ না করেই লাখ টাকা লোপাট: সাঁকোর ছবি ভাইরাল

    উদয়কাঠি ইউনিয়নের বাসিন্দা, বরিশাল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এবং বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা...

    আজ ১৩ জানুয়ারী, দিনাজপুরের হিলি ট্রেন ট্রাজেডি দিবস। আজ থেকে ২৬ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি হিলি রেলস্টেশনে দেশের সবচেয়ে বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। তবে ২৬ বছরেও আহত ও নিহতের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। এমনকি আজও আলোর মুখ দেখেনি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন।

    বাংলাহিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের তৎকালীণ সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলুসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হিলি স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় হিলি রেল স্টেশনে ক্রসিংয়ের উদ্দেশ্যে স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে দাঁড়িয়েছিল গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেন। তবে সেসময়ের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অবহেলার কারণে একই লাইনে ঢুকে পড়ে সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

     

    এতে দুইটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে ভারি হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস। এদুর্ঘটনায় লোকাল ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের সদস্যসহ স্থানীয়রা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের উদ্ধার করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক যাত্রী। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে। পরে স্থানীয় মানুষ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সহায়তায় লাশ উদ্ধারসহ আহতদের দ্রæত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। সেসময় সরকারি ভাবে নিহতের সংখ্যা ২৭ জন ঘোষণা করা হয়। আর আহতের সংখ্যা বলা হয় শতাধিক।

    দুর্ঘটনার পরদিন ১৪ জানুয়ারি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কিন্তু দুর্ঘটনার ২৬ বছরেও আহত ও নিহতদের অনেক পরিবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পায়নি। সেই সঙ্গে আজও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। এদিকে প্রতিবারের ন্যয় এবারও স্থানীয় রেলওয়ে একতা ক্লাবের উদ্যোগে কলো ব্যাজ ধারণ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    পটুয়াখালীতে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে পটুয়াখালী সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। বাতাসের চাপ আগের চেয়ে কিছুটা...